জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ডিগ্রি পাস কোর্সে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস [বি এ (পাস)], ব্যাচেলর অব সোস্যাল সায়েন্স [বি এস এস (পাস)], ব্যাচেলর অব সায়েন্স [বি এস সি (পাস)], ব্যাচেলর অব বিজনেস স্টাডিজ [বি বি এস (পাস)], ব্যাচেলর অব মিউজিক [বি মিউজ (পাস)], ব্যাচেলর অব স্পোর্টস [বি স্পোর্টস (পাস)] ডিগ্রি পাস কোর্সে ভর্তি কার্যক্রমের প্রাথমিক আবেদন ১৭ জানুয়ারি বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ০৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে।
২০১৩/২০১৪/২০১৫ সালের মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০১৫/২০১৬/২০১৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক / সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আগ্রহী প্রার্থীদের উক্ত আবেদন ফরম পূরণ করে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা সংশ্লিস্ট কলেজে ০৪ ফেব্রুয়ারি তারিখের মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে।


উল্লেখ্য, স্নাতক (পাস) শ্রেণীর ভর্তি কার্যক্রমে আবেদনকারী প্রার্থীদের কোন ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়না। তাদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্যঃ

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহঃ

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহঃ

আবেদনের যোগ্যতাঃ
  • শিক্ষার্থী যে কোন শিক্ষা বোর্ড এর যে কোন শাখা থেকে এসএসসি/সমমান ২০১৩/২০১৪/২০১৫ এবং এইচএসসি/সমমান ২০১৫/২০১৬/২০১৭ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

  • ২০১৩/২০১৪/২০১৫ সালের O-Level পরীক্ষায় কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে ‘বি” গ্রেডসহ অন্তত চারটি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০১৫/২০১৬/২০১৭ সালের A-Level পরীক্ষায় অন্তত একটি বিষয়ে ‘বি” গ্রেডসহ অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এই ভর্তি কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবে তবে প্রার্থীদের ভর্তি নির্দেশিকার অন্যান্য সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। এ সকল শিক্ষার্থীদের ডীন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।
  • বিদেশী সার্টিফিকেটধারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-এ স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাদের অর্জিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নম্বর পত্রের সমতা নিরূপণ করা হলে তারাও ভতির্র জন্য আবেদন করতে পারবে৷ বিদেশী সার্টিফিকেটধারী প্রার্থীদের আবেদনের ক্ষেত্রে ভর্তি নির্দেশিকার সকল শর্ত পূরণ করতে হবে।  এ সকল শিক্ষার্থীদের ডীন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।
  • আবেদনকারী উচ্চ মাধ্যমিক/ সমমান পরীক্ষায় যে শাখা থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে তাকে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে৷
  • উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মানবিক শাখার আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও করণীয়ঃ 
  • আবেদন ফরম পূরণঃ আবেদনকারীকে এই লিঙ্কে গিয়ে প্রদর্শিত তথ্য ছকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ড ও পাসের সন সঠিকভাবে এন্ট্রি দিতে হবে৷
  • সঠিক লিঙ্গ (Gender) নির্ধারণ নির্ধারণঃ এ পর্যায়ে অনলাইনে আবেদনকারীর শিক্ষা বোর্ডে সংরক্ষিত ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী Male/Female প্রদর্শিত হবে৷ আবেদনকারীর তথ্য ছকে Male এর স্থলে Female বা
    Female এর স্থলে Male প্রদর্শিত হলে  Click to Change গিয়ে সঠিক তথ্যটি দিতে হবে৷
  • কলেজ পছন্দঃ আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী বিভাগ ও জেলাওয়ারী যে কোন কলেজের নাম Select করলে
    সংশ্লিষ্ট কলেজে ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণীর অধিভুক্ত কোর্সসমূহের নাম ও আসন সংখ্যা দেখতে পাবে৷
  • বিষয় পছন্দক্রমঃ website-এর তথ্য ছকে পছন্দ অনুযায়ী একটি কলেজ Select করলে আবেদনকারী সংশ্লিষ্টকলেজে তার ভর্তি যোগ্য (Eligible)কোর্সের তালিকা দেখতে পাবে এবং এই তালিকা থেকে প্রার্থী সর্তকতার সংগে তার প্রার্থিত কোর্সের পছন্দক্রম নির্ধারণ করতে হবে৷ এই পছন্দক্রমের উর্ধ্বক্রম অনুসারে মেধার ভিত্তিতে কোর্স বরাদ্দ দেয়া হবে৷
  • কোটাঃ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/ আদিবাসি/ প্রতিবন্ধী/পোষ্য কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে তথ্য ছকের নির্দিষ্ট স্থানে তার জন্য প্রযোজ্য কোটা Select করতে হবে৷ কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদপত্র থাকতে হবে৷ একজন প্রার্থী এক বা একাধিক কোটায় যোগ্য হলে
    কোটার পছন্দক্রম নির্ধারণ করে দিতে হবে৷
  • ছবি সংযোজনঃ আবেদনপত্র পূরণের সময় প্রার্থীর পাসপোর্ট আকারে সম্প্রতি তোলা রঙ্গিন ছবি Scan করে আপলোড করতে হবে৷ ছবির মাপ ১২০ x১৫০ pixels,  Image  Type:  jpg এবং maximum file size:50KB হতে হবে৷
  • ফরম চূড়ান্তকরণঃ সঠিক তথ্য ও ছবিসহ ছক পূরণ করে প্রথমে ফরমটি Submit  Application অপশনে ক্লিক
    করতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীর রোল নম্বর ও পিন কোড প্রদর্শিত হবে এবং আবেদনকারীকে ফরমটি ডাউনলোড করে [A4(8.5”×11”)অফসেট সাদা কাগজে]প্রিন্ট (Print) নিতে হবে৷
  • আবেদন ফরম বাতিলকরণ / ত্রুটিপূর্ণ ছবি পরিবর্তন ছবি পরিবর্তনঃ আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজে জমাদানের পূর্বে কোন শিক্ষার্থী তার প্রাথমিক আবেদন ফরমটি বাতিল/ত্রুটিপূর্ণ ছবি পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে Applicant’s Login (Degree Pass) অপশনে গিয়ে আবেদন ফরমের রোল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীকে Form Cancel/Photo Change Option এ গিয়ে  Click to Generate OTP অপশনটি ক্লিক করতে হবে৷ এ সময়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে উল্লিখিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে One Time Password (OTP) পাবে৷ এই OTP এন্ট্রি দিয়ে প্রার্থী তার আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে৷ এ লক্ষ্যে আবেদনকারীকে তার ব্যক্তিগত সঠিক মোবাইল নম্বর সর্তকতার সংগে আবেদন ফরমে সংযোজন করতে হবে৷ তবে কলেজ কর্তৃক প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়ন করার তা আর বাতিল করা যাবে না প্রার্থী ছবি পরিবর্তনের সুযোগ মাত্র একবারই পাবে৷
  • সংশ্লিষ্ট কলেজে ফরম ও ফি এর সাথে যা যা জমা দিতে হবেঃ আবেদনকারীকে প্রিন্ট করা প্রাথমিক আবেদন ফরমটির নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করতে হবে৷ এই আবেদন ফরমের সংগে প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার সত্যায়িত নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ফি বাবদ ফি বাবদ ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ টাকা ) টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ প্রাথমিক আবেদন ফরমটির দ্বিতীয় অংশ সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষ/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ প্রার্থীকে ফেরত দিবে৷ কলেজ যে সকল প্রাথমিক আবেদন ফরম online-এ নিশ্চয়ন করবে সে সকল প্রার্থী তাদের মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে তা জানতে পারবে৷
আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক বিষয়সমূহের তালিকাঃ
Degree Pass compulsory & Alternavite subjects
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/ আদিবাসি/ প্রতিবন্ধী (সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে) কোটা সম্পর্কিত তথ্য ও সংরক্ষিত আসন সংখ্যাঃ
https://i2.wp.com/i.imgur.com/3IM2FvG.jpg?w=618&ssl=1
পোষ্য (Ward) কোটায় ভর্তিঃ
স্নাতক (পাস) ভর্তি কার্যক্রমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তান/সন্তানাদি পোষ্য কোটায় আবেদন করতে পারবে৷ এ কোটায় আবেদনকারীকে পোষ্যের প্রমাণ পত্রের সংগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দফতর থেকেও পোষ্য হিসাবে প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে৷ ভর্তির জন্য পোষ্যকে ভর্তি নির্দেশিকার সকল শর্তপূরণ করতে হবে৷ একটি কলেজে সর্বোচ্চ ০৩ জন আবেদনকারী মেধাভিত্তিক পোষ্য কোটায় ভর্তি হতে পারবে এবং এ আসন অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হবে।
ফলাফল ও মেধা তালিকা:
প্রতিটি কলেজ জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা তৈরি করে প্রার্থীদের পছন্দক্রমের ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণীর কোর্স বরাদ্দ দেওয়া হবে।
  • একই প্রতিষ্ঠান/কলেজে একই বিষয়ে দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হলে সেক্ষেত্রে এ সকল আবেদনকারীর পর্যায়ক্রমে ১) ৪র্থ বিষয়সহ SSC ও HSC পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% ২) প্রয়োজন
    হলে SSC ও HSC পরীক্ষার মোট প্রাপ্ত নম্বরের যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% ৩) এর পরেও যদি দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হয়, তা হলে যার বয়স কম তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে৷
  • ভর্তির ফলাফল পর্যায়ক্রমে ১) ১ম মেধা তালিকা ২) শূন্য আসন সাপেক্ষে ২য় মেধা তালিকা ও কোর্স পরিবর্তনের মেধাতালিকা ৩) কোটা ও কোর্স পরিবর্তনের মেধাতালিকা এবং ৪) রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকা (প্রয়োজনে একাধিক বার) মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে৷
ভর্তির ফলাফল দেখার পদ্ধতিঃ
  • সংশ্লিষ্ট কলেজ তাদের User ID ও Password ব্যবহার করে ভর্তির কোর্সওয়ারী ফলাফল দেখতে পারবে৷
  • শিক্ষার্থীরা এই পোস্টের নিচে ভর্তির আবেদনের সময় প্রাপ্ত রোল ও পিন নম্বর দিয়ে লগিন করে
         অথবা, NU<space>ATDG<space>Roll No টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে ম্যাসেজ পাঠিয়ে।
          অথবা, কলেজ থেকে সরাসরি ফলাফল জানতে পারবে।
যারা মেধা তালিকায় সুযোগ পাবে তাদের করণীয় বিষয়সমূহঃ
লগইন (Login): মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে এই লিঙ্কে গিয়ে সঠিক রোল নম্বর ও পিন কোড দিয়ে Login করতে হবে৷ এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নাম, বরাদ্দকৃত বিষয়, সংশ্লিষ্ট কলেজের নাম ও অন্যান্য তথ্যসহ ভর্তির আবেদন ফরম প্রদর্শিত হবে৷
কোর্স পরিবর্তনের আবেদন করতে চাইলেঃ মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত কোন শিক্ষার্থী তার কোর্সের পরিবর্তন করতে চাইলে আবেদন ফরমের কোর্সের পরিবর্তনের নির্দিষ্ট (Yes/No) ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে৷
আবেদন ফরম প্রিন্টঃ সঠিক তথ্যসহকারে ভর্তির আবেদন ফরমটি Submit Application অপশনে ক্লিক করলে একটি চূড়ান্ত ভর্তির আবেদন ফরম website এ দেখা যাবে৷ উক্ত ফরমটির দুই কপি A4 (8.5”×11”) অফসেট কাগজে প্রিন্ট নিতে হবে৷ পরবর্তিতে রোল নম্বর ও পিন কোড দিয়ে একাধিকবার ফরমটি প্রিন্ট নেয়া যাবে৷
সংশ্লিষ্ট কলেজে ফরম জমাঃ আবেদনকারীকে প্রিন্ট করা ভর্তির ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে স্বাক্ষর করতে হবে৷ এই আবেদন ফরমের সঙ্গে আবেদনকারীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও ভর্তি রেজিস্ট্রেশন ফি (১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী) সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ চূড়ান্ত ভর্তির আবেদন ফরমের একটি কপি অধ্যক্ষ/দায়িতপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে ফেরত দিবে ৷
কোর্স পরিবর্তনের ফলাফল ও করণীয়ঃ সংশ্লিষ্ট কলেজে কোর্সভিত্তিক আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ও মেধাস্কোরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীকে তার কোর্সের পছনক্রমের ঊর্ধ্বক্রমে কোর্স পরিবর্তনের ফলাফল অনলাইনে/SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে৷ শিক্ষার্থীর কোর্স পরিবর্তন হলে নির্দিষ্ট Online থেকে একই প্রক্রিয়ায় কোর্স পরিবর্তনের ফরম সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে৷ উল্লেখ্য যে, কোন শিক্ষার্থীর কোর্স পরিবর্তন হলে তার পূর্বের কোর্সের ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে এবং পরিবর্তিত কোর্সে তার ভর্তি নিশ্চিত হবে৷ তবে কোন শিক্ষার্থীর কোর্স পরিবর্তন না হলে পূর্বের কোর্সেই তার ভর্তির বহাল থাকবে ৷ কোর্স পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে কোন ফি প্রদান করতে হবে না৷
কোটার ফলাফল: রিলিজ স্লিপের ফরম পূরণের পূর্বে কোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে৷ যে সকল শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে মেধা তালিকায় স্থান পেয়ে প্রার্থিত কোর্সে ভর্তি হয়েছে এবং একই সঙ্গে কোটায় নতুন কোর্স বরাদ্দ পেয়েছে সে সকল শিক্ষার্থী কোটায় বরাদ্দকৃত কোর্সে ভর্তি হতে চাইলে তাদের পূর্বের বর্তি বাতিল হয়ে যাবে৷
চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চয়নঃ সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক Online এ মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ভর্তি/কোর্স পরিবর্তন নিশ্চয়ন করা হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীকে SMS এর মাধ্যমে তা জাানিয়ে দেয়া হবে৷ এছাড়াও শিক্ষার্থীর Online এ Login করে তা জানতে পারবে৷
রিলিজ স্লিপে আবেদন করার শর্তাবলী ও ফরম পূরণ সম্পর্কিত বিষয়াবলীঃ যে সকল শিক্ষার্থী ক) মেধা তালিকায় স্থান পায়নি খ) মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও বরাদ্দকৃত কোর্সের ভর্তি হয়নি গ) ভর্তি বাতিল করছে, সে সকল শিক্ষার্থী রিলিজ স্লিপের জন্য আবেদন করতে পারবে৷
লগইন (Login): রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে এই পোস্টের নিচে গিয়ে সঠিক রোল নম্বর ও পিন কোড এন্ট্রি দিয়ে Login করতে হবে৷ এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নাম ও অন্যান্য তথ্যসহ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম Website-এ প্রদর্শিত হবে৷
কলেজ ও কোর্সের পছন্দক্রম নির্ধারণঃ রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য College Selection option এ গিয়ে আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী কলেজ Select করলে ঐ কলেজের কোর্সভিত্তিক শূন্য আসনের তালিকা ও তার Eligible কোর্সের তালিকা দেখতে পাবে৷ এ
পর্যায়ে আবেদনকারী তার Eligible কোর্সের তালিকা থেকে নতুন করে পছন্দক্রম নির্ধারণ করে এন্ট্রি দিবে৷ এভাবে একজন আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি কলেজে পর্যায়ক্রমে কোর্স পছন্দক্রম নির্ধারণ করে এন্ট্রি দিতে পারবে৷
আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণঃ সঠিক তথ্যসহকারে ফরম পূরণ করে প্রথমে Save করে অনলাইনে Submit করলে আবেদনকারী তার নাম, রোল নম্বর, পিন কোড ও কলেজের নাম ও কোর্সের পছন্দক্রমসহ একটি নতুন আবেদন ফরম এ দেখতে পাবে৷ উক্ত ফরমটি Download করেA4 (8.5”×11”) অফসেট সাদা কাগজে প্রিন্ট (Print) নিতে হবে তবে এটি সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহে জমা দিতে হবে না৷
রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম বাতিলকরণঃ  রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণের পরও যদি কোন শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে কলেজ/কোর্সের পছন্দক্রম সংশোধন বা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে Applicant’s Login (Degree pass) অপশনে গিয়ে আবেদন ফরমের রোল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীকে Form Cancel option এ গিয়েClick to
Generate the Security key অপশনটি ক্লিক করতে হবে৷ এ সময়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে উল্লিখিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে এবং একই সংগে ই-মেইলে One Time Password (OTP) পাবে৷ এই OTP এন্ট্রি দিয়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে৷ এ লক্ষ্যে আবেদনকারীকে তার ব্যক্তিগত সঠিক মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল নম্বর সর্তকতার সংগে আবেদন ফরমে সংযোজন করতে হবে৷
রিলিজ স্লিপের ফলাফলঃ  রিলিজ স্লিপের ফলাফল নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হবে৷ রিলিজ স্লিপে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকবে না৷
চূড়ান্ত ভর্তির ফরম সংগ্রহ ও ভর্তিঃ  শিক্ষার্থী রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে তার নির্বাচিত কলেজে কোর্স বরাদ্দ পেলে Login অপশনে গিয়ে ভর্তির আবেদন ফরম প্রিন্ট করবে৷ এই আবেদন ফরমের সংগে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও ভর্তি রেজিস্ট্রেশন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ রিলিজ স্লিপের ভর্তির আবেদন ফরমের একটি কপি অধ্যক্ষ/দায়িতপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে ফেরত দিবে ৷
চূড়ান্ত ভর্তির জন্য কোর্সওয়ারী রেজিস্ট্রেশন ফিসের হার:
ভর্তি বিষয়ক যে কোন সাহায্যের জন্য ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সাথেযোগাযোগ করতে পারেনঃ
spacer

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনাকে কোন কাজগুলো করতে হবে।



পত্রিকা খুললে প্রায়ই চোখে পরে স্কুল/কলেজের সার্টিফিকেট হারিয়ে যাওয়ার সংবাদ। একজন মানুষের জীবনের অন্যতম অর্জন অমূল্য এই সার্টিফিকেটগুলো। যা হারিয়ে গেলে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। হারানো সার্টিফিকেট কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে ফিরে পাওয়া যায়।
এই লেখায় বিস্তারিত জানিয়ে দিচ্ছি বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনাকে কোন কাজগুলো করতে হবে।

প্রথম কাজ,

জিডি (জেনারেল ডায়েরি বা সাধারণ ডায়েরি) করা। নিকটস্থ থানায় গিয়ে কর্তব্যরত অফিসারকে বুঝিয়ে বলুন আপনার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেছে এই কারণে আপনি একটি জিডি করাতে চান। তিনি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবেন যা জিডির জন্য প্রয়োজন। জিডি করাতে যাওয়ার আগে আপনার সার্টিফিকেটের মূল তথ্য যা আপনার মনে আছে (অথবা প্রবেশ পত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড) সুন্দর ভাবে লিখে নিয়ে যাবেন। তাহলে প্রয়োজনের মুহূর্তে সঠিক তথ্য দেয়া সম্ভব হবে।

দ্বিতীয় কাজ,

জিডির একটি কপি আপনাকে দেয়া হবে, যেখানে সকল বিস্তারিত তথ্য ও জিডি নাম্বার থাকবে। এটির কমপক্ষে ৫-৬টি ফটোকপি করে সংরক্ষণ করুন। পরে এগুলো দরকার হবে।

এবার,

যে কোন একটি পত্রিকা অফিসে যোগাযোগ করুন। হতে পারে তা দেশের সবচেয়ে প্রচলিত পত্রিকা বা আপনার স্থানীয় কোন পত্রিকা। তবে প্রচলিত পত্রিকা গুলোয় যোগাযোগ করা ভাল । পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে, এ ব্যাপারে পত্রিকায় দায়িত্ব রত ব্যক্তির সাথে কথা বলুন।
পত্রিকার বিজ্ঞাপনে যে সব বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবেঃ
১. জিডি নাম্বার
২. সার্টিফিকেটে থাকা পরীক্ষার নাম
৩. বোর্ড
৪. পাশের সন
৫. নিজের নাম
৬. কিভাবে আপনার সার্টিফিকেট হারিয়েছে
এছাড়াও আরও কোন প্রয়োজনীয় তথ্য বাকি রয়ে গেলে তা আপনার কাছে পত্রিকায় দায়িত্ব রত কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করবেন। কাজেই এ নিয়ে চিন্তিত হবেন না।

তৃতীয় কাজ,

জিডির কপি এবং পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি কেটে সাথে নিন। যে শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন তার তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। তাদের কাছ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।

চতুর্থ কাজ,

সকল কাগজপত্র নিয়ে সোনালি ব্যাংকের কোন একটি শাখায় চলে যান, ডিমান্ড ড্রাফট করুন। এবার সকল কাগজপত্র যথা: জিডির কপি, পত্রিকার বিজ্ঞাপনের কাটিং, আবেদনপত্র এবং টাকা জমা দেয়ার রশিদ সব একত্রিত করে শিক্ষাবোর্ডের সচিবের নিকট আবেদন পত্র লিখুন।

আবেদন পত্রে যে তথ্যগুলো অবশ্যই থাকতে হবে,

আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে। পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।
আবেদন করার পর আপনার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে কি না, কিভাবে পরবর্তীতে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে এ সকল তথ্য বোর্ড থেকেই আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে। তথ্যগুলো লিখে রাখুন এবং নিয়মিত খোঁজ নিন।

নতুন সার্টিফিকেট পাওয়ার পর,

দয়া করে অফসেট কাগজে এর কিছু ফটোকপি করিয়ে রাখুন এবং এমন স্থানে রাখুন যাতে তা সহজে হারিয়ে না যায়। অথবা পানি, আগুন বা পোকার আক্রমণে বিনষ্ট না হয়।



আবেদন করার নিয়ম
বরাবর
অধ্যক্ষ,
 স্কুলের নাম


বিষয়ঃ এস এস সি পাশের সনদ উত্তোলন প্রসঙ্গে।


জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে আমি আপনার অত্র বিদ্যালয় থেকে (আপনার পাশের সন) সালে এস এস সি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হই। এখন আমার ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে এস.এস.সি পাশের সনদ টি প্রয়োজন। আমার এস.এস.সি এর রোল নং (আপনার এস এস সি রোল) ও রেজিঃ নং (আপনার এস এস সি রেজিস্ট্রেশন নং)।


অতএব, হুজুরের নিকট আমার আকুল আবেদন এই যে, আমাকে আমার উক্ত এস.এস.সি পাশের সনদ টি প্রদান করে বাধিত করবেন।


নিবেদক
আপনার নাম
spacer

জেএসসি ও জেডিসি পরিক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

আজ ৩০ শে ডিসেম্বর রোজ শনিবার জেএসসি

ও জেডিসি পরিক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে জেএসসি-
জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল ২০১৭ জানার পদ্ধতিঃ http://www.educationboardresults.gov.bd/index.php?err=103
[দুপুর ২টার পর]
➳যে কোন মোবাইল অপারেটর এর মেসেজ
অপশনে গিয়ে লিখতে হবে JSC অথবা JDC
➳এরপর একটি স্পেস দিয়ে আপনার বোর্ড এর প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। যেমনঃ
DHA = Dhaka Board |
COM = Comilla Board |
RAJ =
Rajshahi Board |
JES = Jessore Board |
CHI=
Chittagong
Board |
BAR = Barisal Board |
SYL = Sylhet Board |
DIN =
Dinajpur Board |
MAD = Madrassah Board |
TEC= Technical Board
➳ এরপর, একটি স্পেস দিন এবং আপনার রোল নম্বরটি লিখুন।
➳ এবার একটি স্পেস দিয়ে আপনার পরীক্ষার সাল
অর্থাৎ 2017 লিখুন।
➳ Example: JSC <স্পেস>DHA <স্পেস>123456
<স্পেস>2017
মাদ্রাসা বোর্ড এর ক্ষেত্রেঃ
JDC<স্পেস>MAD<স্পেস>123467<স্পেস>2017
➳ এবার মেসেজ টি পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল
পুনঃনিরীক্ষণ এর পদ্ধতি জানতে এখানে ক্লিক করুন
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার
পরিসংখ্যানঃ
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের জেএসসি-জেডিসি
পরীক্ষা গত ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৮
নভেম্বর শেষ হয়। নির্ধারিত দিনগুলোতে সকাল ১০টা
থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
মোট ২৮ হাজার ৬২৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন পরীক্ষার্থী এ দুটি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
.
এছাড়া মোবাইলে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৭ এর ফলাফল দেখার নিয়মঃ
প্রাথমিক ও শিক্ষা সমাপনীঃ
DPE<space> আপনার উপজেলা/থানার কোড <space>রোল নম্বর<space>পাশের বছর
এরপর Send করুন 16222 নম্বরে।
উদাহরণ: DPE 20608 34589 2016 Send করুন 16222 নম্বরে।
ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীঃ
মাদ্রাসা বোর্ডের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী পরীক্ষার ফলাফল পেতে শুধু DPE এর স্থলে EBT লিখতে হবে। বাকি নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে।
উদাহরণঃ EBT 20608 34589 2016 Send করুন 16222 নম্বরে।
spacer

প্যারেন্টস কম্পিউটার আন্ড ফটোষ্ট্যাট

প্যারেন্টস কম্পিউটার আন্ড ফটোষ্ট্যাট
প্রোঃ মোঃ শাফিউল ইসলাম বিপ্লব
মাতাসাগর হাট, তিন মাথার
মোড়, দুবলহাটী,নওগাঁ।
মোবাইল নং-০১৭১৩-৭৪৩৮০৬ /01713-743806
আমাদের সেবা সমূহঃ
১। ডিজিটাল ছবি তোলা
২। কম্পিউটার কম্পোজ
৩। ছবি ও চিঠিপত্র স্ক্যান
৪। সাদা-কালো ও রঙ্গীণ প্রিন্ট
৫। দলিল লিখা ও প্রিন্ট করা
৬। ই-মেইলসহ  নেটের যাবতীয় কাজ করা হয়।
৭। অনলাইন থেকে চাকুরীর বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষার ফলাফল ডাউনলোড ও প্রিন্ট করা।
৮। অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম ও যে কোন আবেদনপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট  করা হয়।
৯। অডিও/ভিডিওগান ডাউনলোড
১০। বিবাহ/খাৎনার কার্ড এবং যেকোন দাওয়াত পত্র তৈরী করা হয়।


spacer

প্যা‌রেন্টস ক‌ম্পিউটা‌রে অাপনা‌কে স্বাগতম।

প্যা‌রেন্টস ক‌ম্পিউটা‌রে অাপনা‌কে স্বাগতম
  এখা‌নে ক‌ম্পিউটার ক‌স্পোজ, ছ‌বি তোলা,‌মে‌মোরি কার্ড~‌পেনড্রাইভ থে‌কে ছ‌বি, গ্রা‌ফিক্স ডিজাইন, মাল্টি‌মি‌ডিয়া, অ‌ডিও ভি‌ডিও ডাউন‌লোড, স্ক্যা‌নিং ,লে‌মো‌লে‌টিং, ফ‌টোষ্ট্যাট ও ইন্টা‌রনেট সেবা সহ যাবতীয় সেবা প্রদান করা হয়। স্থান মাতাসাগর হাট ( তিন মাথার মোড় ) নওগাঁ  । 
বিঃদ্রঃ এখানে যে কোন প্রাইভেট, কোচিং, কিন্ডার স্কুল ও স্কুলসহ যাবতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নপত্র গোপনীয়তার সাঞথ কম্পোজিং করা হয়।
প্যা‌রেন্টস ক‌ম্পিউটা‌রে অাপনারা সবাই অাম‌ন্ত্রিত।,
spacer

Woner of Parents Computer & Photstate, Md. Shafiul Islam Biplob


spacer

spacer

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান


Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
সমস্যা
ধরন
কারণ
সমাধান
 ডেস্কটপ কম্পিউটার
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা
২. পাওয়ার বাটনের সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. প্রসেসরের সমস্যা
১. পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক আছে কিনা এবং প্রয়োজনীয় সব ক্যাবল লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কেসিং এর পাওয়ার বাটন চেক করুন।
৩. ইন্টারনাল স্পীকার একের অধিক বীপ আওয়াজ ক্রমাগত করলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যাম বদলাতে হবে।
৪. প্রসেসর ঠিকমতো বসানো আছে কিনা এবং কুলিং ফ্যান চেক করুন।
কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে
সফটওয়ার

১. ভাইরাসের কারণে
২. এন্টিভাইরাসের সমস্যার কারণে
৩. কোনো বিশেষ অসামঞ্জস্যপূর্ণ সফটওয়ার ইন্সটলের কারণে
৪. অপারেটিং সিস্টেমের সমস্যার জন্য
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পুরো পিসি ভালো করে স্ক্যান করুন।
২. একাধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. যদি বিশেষ কোনো সফটওয়ার ইন্সটল করার পর থেকে সমস্যাটি দেখা দিয়ে তাহলে সেটি মুছে ফেলুন।
হার্ডওয়ার
১. র‌্যাম
২. পাওয়ার সাপ্লাই
৩. কুলিং ফ্যান
৪. নতুন হার্ডওয়ার
৫. ধুলাবালি
১. কখনোই ভিন্ন ভিন্ন বাস স্পীডের র‌্যাম ব্যবহার করবেন না।
২. র‌্যামটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
৩. বিদ্যুতের উঠানামার জন্য এমনটা হলে ইউপিএস ব্যবহার করুন।
৪. প্রসেসর কুলিং ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কিনা এবং সেটি শক্তভাবে প্রসেসরে লাগানো আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়ার লাগানোর পর থেকে যদি সমস্যার শুরু হয় তাহলে সেটি খুলে ফেলুন।
৬. কম্পিউটারের কেসিং এর ভেতরটা ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।
কম্পিউটার চালুর পর নিজেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
হার্ডওয়ার
১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যানের সমস্যা
১. মাদারবোর্ডে প্রসেসরের কুলিং ফ্যান শক্তভাবে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কম্পিউটার পুরাতন হলে প্রসেসরের আর ফ্যানের মাঝে থাকা থার্মাল পেস্ট ক্ষয়ে যাবার কারণে এমন হলে নতুন পেস্ট লাগাতে হবে।
৩. ফ্যানে জমে থাকা ধুলো পরিস্কার করতে হবে, এয়ার ব্লোয়ার ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো হয়।
পিসি অন করলেই প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং আসছে
হার্ডওয়ার
১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যান
১. প্রসেসরের উপরের কুলিং ফ্যান ঠিকভাবে শক্ত করে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
কম্পিউটার চালু করার পর বীপ দিতে থাকে
হার্ডওয়ার
১.যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।।
২. যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।
৩.যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।।
৪.যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
১.র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
২.মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে।? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।
৩.যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা।
৪.এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
৫.পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা।
পাওয়ার সাপ্লাইকাজ করছে না
হার্ডওয়ার
১. পাওয়ার সাপ্লাইনষ্ট হয়ে গেছে
১. নষ্ট হলে ঠিক না করে নতুন পাওয়ার সাপ্লাই লাগানো যেতে পারে।
উইন্ডোজ চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে
সফটওয়ার
১. স্টার্টআপে প্রোগ্রামের সংখ্যা বেশি
১. স্টার্ট মেনু বা রানে গিয়ে MSCONFIG লিখে এন্টার দিন। স্টার্ট আপ ট্যাব থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনচেক করুন।
কম্পিউটার বারবার হ্যাং করছে
সফটওয়ার
১. ভাইরাস
২. একাধিক এন্টিভাইরাস
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি ভালোমতো স্ক্যান দিন।
২. একসাথে একের অধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
হার্ডওয়ার
১. র‌্যাম
১. র‌্যাম ঠিকমতো স্লটে বসানো আছে কিনা দেখুন।
২. একই বাসস্পীডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করবেন।
কম্পিউটার স্লো হয়ে গেছে
সফটওয়ার
১. ভাইরাস
২. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম
৩. সি ড্রাইভে অপর্যাপ্ত স্পেস
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি স্ক্যান করুন।
২. খুব বেশি এপ্লিকেশন বা সফটওয়ার পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. সি ড্রাইভ বা উইন্ডোজের ড্রাইভে ২০% স্পেস সবসময় খালি রাখবেন।

হার্ডওয়ার
১. র‌্যাম
২. ধুলাবালি
১. কম্পিউটারের ভেতর এবং আশপাশ সবসময় ধুলাবালি মুক্স রাখবেন।
২. উষ্ণ কোনো স্থানে কম্পিউটার রাখবেন না।
৩. প্রয়োজনের চেয়ে র‌্যামের মেমোরির পরিমাণ কম।
কম্পিউটারের ঘড়ির সময় ঠিক থাকছে না
হার্ডওয়ার
১. মাদারবোর্ড পুরাতন হলে বায়োসের ব্যাটারী ডাউন হবার কারণে
১. কম্পিউটার মাদারবোর্ডে থাকা বায়োসের কয়েন সদৃশ ব্যাটারীটি বদলে দিতে হবে।
 মনিটর
কম্পিউটারের ডিসপ্লেতে কিছু আসছে না
হার্ডওয়ার
১. র‌্যামের সমস্যা
২. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা
৩. কানেকশনের সমস্যা
১. মনিটরের পাওয়ার এবং সিপিইউ’র ডিসপ্লে আউটপুট থেকে মনিটর পর্যন্ত সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করুন।
২. র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে বসালেও এ সমস্যা মাঝেমাঝে ঠিক হতে পারে।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর ইন্টারনাল সিস্টেম স্পীকার তিনবার ছোটো ছোটো বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড চেক করুন।
৪. বায়োস রিসেট দিন।
মনিটরের স্ক্রীণ ঝাপসা
সফটওয়ার
১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ডাইরেক্ট এক্স এর সমস্যা
৩. সেটিংস এর সমস্যা
১. আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য সর্বশেষ ড্রাইভার ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন
২. ডাইরেক্ট এক্স আপডেট করুন।
৩. ডিসপ্লে সেটিংস এ গিয়ে রেজুলেশন এবং রিফ্রেশ রেট(৬০ হার্টজ) চেক করুন। কালার মোড(৩২ বিট) চেক করুন।
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা
হার্ডওয়ার
১. কানেকশনের সমস্যা
২. বায়োস সেটিংস
৩. ত্রুটিপূর্ণ গ্রাফিক্স কার্ড
১. গ্রাফিক্স কার্ড এবং মনিটরের কানেকশন চেক করুন।
২. বায়োসের সেটিং ডিফল্ট করে দিন।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর সিস্টেম স্পীকার ৩টি বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা হয়েছে। অন্য গ্রাফিক্স কার্ড লাগিয়ে চেক করুন।
মনিটরের লেখা/ছবি উলটে গেছে
সফটওয়ার
১. সেটিংস এর সমস্যা
১. গ্রাফিক্স কার্ডের সেটিংস এ গিয়ে রোটেশন অফ করে দিন বা শুণ্য ডিগ্রী করে দিন।
২. ctrl+alt+ up arrow key
মনিটরের কনট্রাস্ট রেশিও ঠিক করে দিলেও বার বার উইন্ডোটি আসতে থাকে।
হার্ডওয়ার
১। ভিজিএ ক্যাবল এ সমস্যা থাকতে পারে।
২। গ্রাফিক্স কার্ডেরকারনে হতে পারে
৩। মনিটরের সুইচ/আইসিতে সমস্যা থাকতে পারে।
৪। এজ মডেমের সিগনালের কারনে হতে পারে।
১। সুইচ চেক করা।
২। ভিজিএ ক্যাবল ঠিকমত লাগাতে হবে।
৩। এজ মডেম সামনের পোর্ট থেকে খুলে পিছনের পোর্টে লাগাতে হবে।
মনিটরের স্ক্রিনে নীল রং এসে থেমে যায় এবং মনিটর চালু হয় না
হার্ডওয়ার
১. হার্ডওয়্যার এর সমস্যা হতে পারে
১. অভিজ্ঞ কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
সফটওয়ার
১.র‌্যাম স্লটে সমস্যা হতে পারে।
২.উইন্ডোজ ইন্সটলেশন সমস্যা হতে পারে।
৩.বেড সেক্টর এর কারণে হতে পারে।
৪.ভাইরাসের কারণে হতে পারে।
১. পুনরায় কম্পিউটার রিস্টার্ট করা যেতে পারে।
২.র‌্যাম স্লট পরিবর্তন করে দেখা যেতে পারে।
৩.উইন্ডোজ সেট আপ দেয়া যেতে পারে।
৪. হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর সমস্যার সমাধান করতে হবে।
CRT মনিটরে ডিসপ্লে তে বিভিন্ন color আসা
হার্ডওয়ার
১.মনিটরের পাশে ম্যাগনেটিক ফিল্ডের উপস্থিতি।
২.ভিজিএ ক্যাবল নষ্ট
১. মনিটরের contrast মেন্যুতে dgauge বাটনে ক্লিক করলেই ভিতরের সমস্ত ray বের হয়ে গিয়ে ঠিক হয়ে যাবে।
২. ভিজিএ ক্যাবল চেক করতে হবে।
৩. সকল ম্যাগনেটিক বস্তু বিশেষত স্পীকার মনিটর থেকে দূরে সরাতে হবে।
 উইন্ডোজ সেটআপ
উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ হচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. বুট ডিভাইস সেটিংস
২. সিডিতে সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. হার্ডডিস্কের কম্পাটিবিলিটি
১. বায়োসের বুট ডিভাইস প্রায়োরিটি থেকে সিডি ডাইভ প্রথমে নিয়ে আসুন।
২. যদি ফাইল কপি হবার সময় আটকে যায় তাহলে বুঝতে হবে সিডিতে সমস্যা, অন্য সিডি ব্যবহার করুন।
৩. ইন্সটলেশন শুরুর পর আটকালে সেটা র‌্যামের কারণে হতে পারে। সব র‌্যাম একই বাস স্পীডবিশিশট কিনা তা দেখুন। স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
৪. যে ড্রাইভে ইন্সটল করছেন সেটা এনটিএফএস ফরম্যাটে আছে কিনা চেক করে দেখুন।
উইন্ডোজ এক্সপি হার্ডডিস্ক খুঁজে পাচ্ছে না
সফটওয়ার
১. নতুন মডেলের হার্ডডিস্ক
১. উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাক ৩ ব্যবহার করুন। ল্যাপটপের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট নির্মাতার মডেলের উপর ভিত্তি করে এক্সপির আলাদা ভার্সন বানিয়ে থাকে। সেটা ব্যবহার করতে হবে।
হার্ডওয়ার
১. কানেকশনে সমস্যা
২. হার্ডডিস্ক কন্ট্রোলার
১. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
২. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক কন্ট্রোল মোড হবে আইডিই।
উইন্ডোজ এর কোন সিস্টেম ফাইল নষ্ট হয়ে যাওয়া
হার্ডওয়ার
১. ভাইরাসের কারণে
১. Google এ সার্চ দিয়ে নির্দিষ্ট ফাইলটি খুজে উইন্ডোজ এর নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে।

উইন্ডোজ সেভেন/ভিসতা থাকলে এক্সপি ইন্সটল হয় না
সফটওয়ার
১. উইন্ডোজের নিয়ম এটি
১. EasyBCD সফটওয়ার দিয়ে কাজটি করা যায়।
User Account এর পাসওয়ার্ড ভূলে যাওয়া


১.সেফ মুডে কম্পিউটার অন করে পাসওয়ার্ড মুছে দেয়া।
২.ctrl+alt চেপে ধরে দুইবার delete চেপে administrator  দিয়ে ওপেন করা।
 হার্ডডিস্ক
কম্পিউটার হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. কানেকশনে সমস্যা
২. বায়োসের সেটিংস
৩. হার্ডডিস্কের সমস্যা
১. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
২. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক ঠিকমতো দেখাচ্ছে কিনা দেখুন। ডিফল্ট সেটিং ব্যবহার করুন।
৩. হার্ডডিস্ক পুরাতন হলে বা ব্যাড সেক্টর পড়লে নতুন হার্ডডিস্ক ব্যবহার ছাড়া উপায় নেই।
হার্ডডিস্কের ব্যাডসেক্টর
হার্ডওয়ার
১.ঘন ঘন বিদ্যুৎচলে গেলে
২.যথাযথ ভাবে কম্পিউটার বন্ধ করা না হলে
১.ফিজিক্যাল বেড সেক্টর দূর করা যায় না।
২.লজিক্যাল বেড সেক্টর দূর করার জন্য বিভিন্ন ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায় যেমন- Norton utility disk doctor।
৩.c ড্রাইভ এর properties থেকে Tools এর check now এ গিয়ে দুইটি check box ok দিয়ে start এ ক্লিক করতে হবে।
কীবোর্ডের কী কাজ করছে না
হার্ডওয়ার
১. ধুলাবালি/তরল পদার্থের জন্য
২. কী বোর্ড পুরাতন হয়ে গেলে।
৩.কী বোর্ড এর কার্বন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
১. ধুলাবালি পরিস্কার করে শুষ্ক স্থানে রাখুন।
২. নতুন কীবোর্ড ব্যবহার করাই ভালো।
সফটওয়ার
১. কীবোর্ড সেটিংসের সমস্যা
১. কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে কীবোর্ড সেটিং চেক করুন।
উইন্ডোজ আপডেটের পর সমস্যা
সফটওয়ার
১. আপডেট কম্পাটিবল না
১. নতুন আপডেটটি আনইন্সটল করে ফেলুন।
হার্ডওয়ার আপডেটের পর সমস্যা
সফটওয়ার
১. আপডেট কম্পাটিবল না
১. নতুন আপডেটটি আনইন্সটল করে ফেলুন।
সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ডিস্ক রীড করছে না
হার্ডওয়ার
১. ডিস্কে সমস্যা
২. ড্রাইভের হেডে জমে থাকা ধুলো
১. বেশি স্ক্র্যাচ/দাগযুক্ত সিডি/ডিভি ড্রাইভে ঢুকাবেন না।
২. সিডি ক্লিনার বা ড্রাইভ খুলে হেড পরিস্কার করুন।

একটি বিশেষ সিডি/ডিভিডি চলছে না
হার্ডওয়ার
১.সিডিটি নষ্ট হতে পারে
২.সিডি/ডিভিডি ড্রাইভটি দূর্বল হয়ে যেতে পারে
১.বায়োস এ গিয়ে সিডি/ডিভিডি রমকে প্রথম বুট প্রায়োরিটি দিতে হবে।
২.সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ এর ক্যাবল মাদারবোর্ড এর অন্য স্থানে লাগাতে হবে।
৩.নতুন করে বায়োস সেট আপ করা যেতে পারে।
কম্পিউটারে সাউন্ড নেই
সফটওয়ার
১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ভুল সেটিংস করা আছে
১. মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি থেকে সাউন্ডের ড্রাইভার আপডেট করুন।
২. উইন্ডোজের সাউন্ড সেটিংস এ গিয়ে ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস চেক করুন।
কম্পিউটারের সামনের পোর্ট দিয়ে সাউন্ড আসছে না
সফটওয়ার
১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
১. মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি থেকে সাউন্ডের ড্রাইভার আপডেট করুন।

হার্ডওয়ার
১. বায়োস সেটিংস ঠিক নেই
২. মাদারবোর্ডে জ্যাক লাগানোয় সমস্যা
১. বায়োসে গিয়ে ফ্রন্ট প্যানেল অডিও আউটপুট এসি’৯৭ সেট করুন।
২. মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল অনুযায়ী ঠিকভাবে সাউন্ডের জ্যাক মাদারবোর্ডের সঠিক পোর্টে লাগানো হয়েছে কিনা দেখুন।
স্কাইপিতে মাইক্রোফোন কাজ করে না
সফটওয়ার
১.সাউন্ড ডিভাইস ডিজেবল থাকলে
২.স্কাইপি সাউন্ড সেটিং ঠিক না থাকলে
৩. ডিফল্ট মাইক্রোফোন ঠিক না থাকলে
১. উইন্ডোজের ডিফল্ট রেকর্ডিং ডিভাইস চেক করুন।
২. সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার আপডেট করে মাইক্রোফোন এনাবেল করুন।
৩.স্কাইপি কল সেটিং থেকে অডিও সেটিং এ গিয়ে মাইক্রোফোন চেক করে দিতে হবে।
মাউস ঠিকমতো কাজ করছে না
হার্ডওয়ার
১. বল মাউসের ক্ষেত্রে ধুলো
২. মাউসের পোর্ট
৩. মাউস ব্যবহারের তল
১. বল মাউসের রোলার বলটি খুলে পরিস্কার করুন।
২. ইউএসবি অপটিক্যাল মাউস হলে পোর্ট পরিবর্তন করুন।
৩. প্রতিফলিত হতে পারে এমন কোনো স্থানে রেখে অপটিক্যাল মাউস ব্যবহার করবেন না।
ইউএসবি ডিভাইস পাচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. বায়োসে ডিজাবেল করা
১. বায়োস রিসেট বা ইউএসবি এনাবেল করে দিন।
পেন ড্রাইভ ফরম্যাট হয় না
সফটওয়ার
১. ভাইরাস
২. ফাইল সিস্টেমের সমস্যা
১.ফরম্যাটিং টুল ব্যবহার করা।
২.ডস মুডে গিয়ে ফরম্যাট্ করা।
৩.অন্য পিসিতে চেষ্টা করা।
৪.অটো রান বন্ধ করে চেষ্টা করা।
৫.পেন ড্রাইভ নির্মাতার ওয়েব সাইট থেকে ফরম্যাট টুল ব্যবহার করা।
PDF ফাইল এডিট করা যায় না
সফটওয়ার
১. প্রয়োজনীয় সফটওয়ারের অভাব
১.Adobe Acrobat Professional (min 6 or upper version) দিয়ে করা যায়।
বাংলা পড়া যাচ্ছে না
সফটওয়ার
১. দরকারি বাংলা ফন্ট নেই
১. প্রয়োজনীয় সকল ফন্ট কপি করে ফন্ট ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে।
 ইন্টারনেট
ডায়ালআপ মডেম কানেকশন পাচ্ছে না
সফটওয়ার
১. ডিভাইস ড্রাইভার
২. ভুল ডায়ালআপ নাম্বার
১. ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে মডেমের ড্রাইভার এবং মডেম ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করুন।
২. ডায়ালআপ নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড চেক করুন।
৩. ইন্টারনেট কানেকশনের সব সেটিং চেক করুন।
৪. নতুন করে কানেকশন প্রোফাইল তৈরি করুন।
মোবাইল ইন্টারনেটে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না
সফটওয়ার
১. সীমের সংযোগ বা ইউএসবি পোর্টের সংযোগ
২. কানেকশন সেটিংস পরিবর্তনের কারণে
৩. অন্য কোন ডিভাইস দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে
১. সীম ট্রে থেকে সিমটি খুলে আবার ভালোমতো সেখানে স্থাপন করুন।
২. ইউএসবি পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন।
৩. পিসি রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন।
৪. মডেমের ড্রাইভার আনইন্সটল করে নতুন করে আবার ইন্সটল করুন।
৫. অন্য কোনো মডেম বা মোবাইল দোনের ড্রাইভার ইন্সটল করা হয়ে থাকলে সেগুলো আনইন্সটল করে তারপর নতুন করে আবার মডেমের ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
কম্পিউটার ইন্টারনেট মডেম খুঁজে পাচ্ছে না
সফটওয়ার
১. পোর্টের সমস্যা
২. ড্রাইভার নেই
১. অন্য ইউএসবি পোর্টে মডেম লাগিয়ে দেখুন।
২. কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
৩. অন্য মডেমের ড্রাইন মুছে ফেলে নতুন করে মডেম ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
মডেমে নো নেটওয়ার্ক/নো সার্ভিস
সফটওয়ার
১. ড্রাইভারের সমস্যা
২. সীমের সংযোগ
১. ড্রাইভার নতুন করে ইন্সটল করুন।
২. সীমটি মডেমের ট্রে থেকে খুলে আবার ভালোভাবে স্থাপন করুন।
ইন্টারনেট সংযোগের ধীরগতি
হার্ডওয়ার
১. সংযোগ লাইনের দূর্বলতা
১. মোবাইল ইন্টারনেট কিংবা ডায়ালআপ ইন্টারনেটের গতি এমনিতেই কম। ব্রডব্যান্ড, এডিএসএল কিংবা ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করে ভালো গতি পেতে পারেন।
নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারে সংযুক্ত হওয়া যাচ্ছে না
সফটওয়ার
১. আইপি এড্রেস
২. সেটিংস
১. নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারগুলার আইপি এড্রেস ঠিক আছে কিনা দেখুন
২. অন্য কম্পিউটারের সাথে শেয়ারিং অন আছে কিনা দেখুন।
 ইউপিএস
ইউপিএস ব্যাকআপ দিচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. ব্যাটারী পুরাতন
১. যদি ইউপিএস পুরাতন হয়ে থাকে তাহলে ইউপিএস-এ থাকা ব্যাটারী পরিবর্তন করুন।
২. নতুন ইউপিএস এ এই সমস্যা হলে সার্কিটের কারণে তা হতে পারে।
ইউপিএস থাকার পরেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়
হার্ডওয়ার
১. সার্কিটের সমস্যা
২. চার্জ কম
৩. লোড বেশি
১. ইউপিএস এ চার্জ কম থাকলে এমন হতে পারে।
২. যদি ইউপিএস এর আউটপুট ক্ষমতার চেয়ে কম্পিউটারের লোড বেশি হয়ে যায় তাহলে হতে পারে। প্রিন্টার, স্ক্যানার ইউপিএস এর সাথে লাগাবেন না।
৩. সব ঠিক থাকার পরেও সমস্যা হলে সেটা সার্কিটের কারণে হতে পারে।
 প্রিন্টার
প্রিন্টার কাজ করছে না
সফটওয়ার
১. ড্রাইভার
২. ডিফল্ট প্রিন্টার সেটিংস
১. আপডেটেড প্রিন্টার ড্রাইভার ব্যবহার করতে হবে।
২. ডিফল্ট প্রিন্টার সেটিংস চেক করতে হবে।
হার্ডওয়ার
১. লুজ কানেকশন
১. প্রিন্টারের সাথে ইউএসবি পোর্টের কানেকশন চেক করুন।
২. ইউএসবি পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন।
কার্ট্রিজ রিফিল করার পর সমস্যা হচ্ছে
হার্ডওয়ার
১. কালির সমস্যা
২. কার্ট্রিজের সমস্যা
১. রিফিলে ব্যবহৃত কালির মান ভালো না।
২. রিফিলের ফলে কার্ট্রিজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
একই পেজ বারবার প্রিন্ট হচ্ছে
সফটওয়ার
১. সফটওয়ার/ড্রাইভারের সমস্যা
১. প্রিন্টারের অফ করে পিসি থেকে ক্যাবল খুলে কিছুক্ষণ পর আবার লাগিয়ে অন করুন।
২. নোটিফিকেশন এরিয়ার প্রিন্টার ডকুমেন্ট লিস্ট থেকে জমে থাকা ফাইল মুছে ফেলুন।
কমান্ড দিলে প্রিন্ট শুরু হচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. কাগজ ঠিকমতো নেই
২. কার্ট্রিজ ঠিকমত বসানো নেই
১. কাগজ ঠিকমতো সাথে আছে কিনা চেক করুন। প্রিন্টারের কাগজ টানতে যেন কোনো সমস্যা না হয়।
২. প্রিন্টার খুলে কার্ট্রিজ চেক করুন এবং প্রয়োজনবোধে খুলে আবার লাগান। নতুনভাবে কার্ট্রিজ লাগানোর পর প্রিন্টার সফটওয়ার দিয়ে আবার এলাইনমেন্ট ঠিক করুন।
 প্রোজেক্টর
প্রোজেক্টরে ছবি আসছে না
হার্ডওয়ার
১. ভুল কানেকশনের
২. ক্যাবলের সমস্যা
৩. ল্যাম্পের সমস্যা
১. আগে প্রোজেক্টরের ম্যানুয়াল পড়ে নিতে হবে।
২. গ্রাফিক্স কার্ড বা ল্যাপটপের আউটপুটের সাথে প্রোজেক্টরের ইনপুটের সংযোগ চেক করতে হবে।
৩. ক্যাবলের দৈর্ঘ্য ১০ মিটারের বেশি হওয়া যাবে না।
৪. ল্যাম্পের লাইফ সাইকেল সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
সফটওয়ার
১. উইন্ডোজের ডিসপ্লে সেটিংস
২. প্রোজেক্টরের সেটিংস
১. উইন্ডোজের সেকেন্ডারি ডিসপ্লে সেটিংস চেক করুন। উইন্ডোজ+P বাটন প্রেস করে সহজেই এটি করা যায়।
২. উইন্ডোজের প্রোজেক্টর রেজুলেশন আর প্রোজেক্টরের সাপোর্টেড রেজুলেশন ঠিক থাকতে হবে।
৩. সব কানেকশন ঠিক থাকলে আগে প্রোজেক্টর অন করুন ,তারপর কম্পিউটার।
৪. প্রোজেক্টরে একাধিক ইনপুটের সিস্টেম থাকলে সেটা চেক করুন।
প্রোজেক্টরে ছবিতে ডট/দাগ
হার্ডওয়ার
১. প্রোজেক্টরের লেন্সে জমা ধুলাবালি
১. নিয়মিত প্রোজেক্টরের লেন্স পরিস্কার করতে হবে।
প্রোজেক্টরের স্ক্রীণে স্পষ্ট ছবি আসছে না
সফটওয়ার
১. রেজুলেশনের সমস্যা
১. প্রোজেক্টরে অটোমেটিক সেটিংস এর কোনো বাটন থাকলে তা প্রেস করুন।
২. ডেস্কটপ/ল্যাপটপের রেজুলেশন সেটিংস পরিবর্তন করে দেখুন।
৩. ডেস্কটপ/ল্যাপটপের ডিসপ্লে ডিজাবেল করে দিন।
প্রোজেক্টর এ বায়োস এর ডিসপ্লে আসছে না
হার্ডওয়ার
১. ডিভাইস সাপোর্ট নেই
১. এই সমস্যার সমাধান নেই।
ল্যাপটপেরএর কোন জিনিস প্রজেক্টর এ দেখানো যায় না
হার্ডওয়ার
১.ক্যাবল সংযোগ দূর্বল হতে পারে
১.ক্যাবল সংযোগ ঠিকমত লাগাতে হবে।
সফটওয়ার
১. Resolution পার্থক্য থাকতে পারে।
৩.Settings এ নির্দিষ্ট অপশন আনচেক থাকতে পারে।
১. Desktop-properties-settings-advanced-Graphics Media-graphics properties-single/multiple display (চেক করে দিতে হবে)।
২. উইন্ডোজ সেভেন উইন্ডোজ+পি কী প্রেস করতে হবে।
 ল্যাপটপ কম্পিউটার
ল্যাপটপ চালু হচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. ব্যাটারীর সমস্যা
২. চার্জিং পোর্টের সমস্যা
৩. কারিগরী সমস্যা
১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর ক্ষমতা পুরো কমে গেলে কিংবা ত্রুটি দেখা দিলে এমন হয়, ব্যাটারী পরিবর্তন করতে হবে।
২. চার্জিং পোর্ট এবং এডাপ্টার ঠিক আছে কিনা দেখুন।
৩. ল্যাপটপের ইন্ডিকেটর লাইট অন না হলে কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
ল্যাপটপ ব্যাকআপ কম দিচ্ছে
হার্ডওয়ার
১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর আয়ু কমে গেছে
১. ল্যাপটপ ব্যবহারের কিছু নিয়মকানুন আছে সেগুলা মেনে চলুন।
সফটওয়ার
১. ভুল পাওয়ার সেটিংস
১. উইন্ডোজের পাওয়ার সেটিং ঠিক করে ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে
হার্ডওয়ার
১. অপর্যাপ্ত কুলিং
২. অতিরিক্ত কাজের চাপ
১. ল্যাপটপের কুলিং ফ্যানের একদম সামনে কোনো কিছু রাখবেন না।
২. ল্যাপটপের প্রসেসর যেখানে থাকে সেই স্থান বেশি গরম হয়। খেয়াল রাখবেন সবসময় যেন সেখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকে।
৩. ল্যাপটপে টানা বেশিক্ষণ মুভি দেখবেন না বা সারাক্ষণ কাজ করবেন না।
ল্যাপটপ পাওয়ার পাচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. এডাপ্টারের সমস্যা
১. পাওয়ার সাপ্লাই-এর সকেট এবং ল্যাপটপের এডাপ্টার চেক করুন।
ল্যাপটপের ডিসপ্লে আসছে না
সফটওয়ার
১. উইন্ডোজের সমস্যা
১. যদি বায়োসের স্ক্রীন আসার পর ডিসপ্লে কালো হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে উইন্ডোজের সমস্যা। উইন্ডোজ রিপেয়ার করুন বা নতুন করে সেটআপ করুন।
 ডিজিটাল ক্যামেরা/ মোবাইল ফোন
ক্যামেরায় তোলা ছবি পরিস্কার না

১. আলোর সমস্যা
২. ছবি তোলার জ্ঞানের অভাব
১. যার বা যেটির ছবি তুলছেন সেখানে পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে। আর আলোর উৎস থাকবে ক্যামেরার পেছনে।
২. পরিবেশের উপর ভিত্তি করে ক্যামেরার লাইট সেটিংস পরিবর্তন করুন।
৩. ছবি তোলার সময় হাত যেন না নড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৪. ছবি তোলার আগে লেন্সে ঠিকমত ফোকাস করে নিন।
ক্যামেরা/মোবাইলে তোলা ছবি কম্পিউটারে নেয়া যাচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. সংযোগ ক্যাবল থাকতে হবে
২. ব্লুটুথ
১. ইউএসবি ক্যাবলের সাহায্যে মোবাইল/ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি পিসিতে নেয়া যায়।
২. মেমোরি কার্ড রীডারের সাহায্যে ডাটা পিসিতে নেয়া যায়।
৩. ল্যাপটপের ব্লুটুথের সাহায্যে মোবাইল থেকে ডাটা পিসিতে নেয়া যায়।
 ভাইরাস প্রসংগ
সমস্যা
ধরণ
বোঝার উপায়
সমাধান
কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলে তা কিভাবে বুঝবো এবং সমাধান করব
সফটওয়ার
১. কম্পিউটার স্লো হয়ে যাবে
২. কাজ করার সমস্য হঠাৎ সেটি আটকে যাবে/হ্যাং করবে
৩. কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় লাগবে
৪. যখন-তখন কম্পিউটার রিস্টার্ট দিতে পারে
৫. কন্ট্রোল প্যানেল/ফোল্ডার অপশন হাইড হয়ে যেতে পারে।
৫. ড্রাইভ বা ফোল্ডার লক হয়ে যেতে পারে।

১. ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্ক থাকা।
২. যেকোনো পেনড্রাইভ বা মোবাইল ফোন পিসিতে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন।
৩. এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
৪. পেন ড্রাইভ পিসিতে ঢুকানো আগে স্ক্যান করে নেয়া।
৫. আক্রান্ত ড্রাইভ ফরম্যাট করা।
৬. রেজিস্ট্রি টুলস ব্যবহার করে বিভিন্ন অপশন ফেরত আনা যায়।
৭. অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইন্সটল করা।
এন্টি ভাইরাস আপডেট এবং ডাউনলোড জনিত সমস্যা
সফটওয়ার
১.লাইসেন্স সময় অতিক্রম করে যেতে পারে
২.কম্পিউটার এর সময় এবং সফটওয়্যার এর সময় মিসম্যাচ হতে পারে
৩.ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি দূর্বল হলে
১.আপডেট এবং ডাউনলোড এর সময় firewall বন্ধ রাখা যেতে পারে।
২.নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
এন্টি ভাইরাস আনইন্সটল হয় না
সফটওয়ার
১. রেজিস্ট্রির সমস্যা
১. সিক্লিনার এর মতো ইউটিলিটি টুল দিয়ে আনইন্সটল করতে বিসিসি ও বেসিস
spacer